ঢাকা ০৯ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সোনার দাম ভ‌রি‌তে বাড়ল ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা ট্রাম্পের ৪০ কোটি ডলারের ‘বলরুম প্রকল্প’ আটকে দিলেন আদালত হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরে বলাকা লাউঞ্জে আগুন ভারত-চীনের ওপর ১০০ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিল পাস যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটে আজ ডিজিএফআইয়ের গোপন বন্দিশালা জেআইসি পরিদর্শনে যাচ্ছেন ট্রাইব্যুনাল ড্যাবের ৩৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে চিকিৎসক সমাবেশের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী সোনার দাম ভরিতে একলাফে বাড়ল ৯,৮৫৬ টাকা হাড়ি-পাতিল, গ্যাসের চুলা নিয়ে ১১ দলের অবস্থান কর্মসূচিতে নারীরা সচিবালয় ঘেরাও করতে গেল ১১ দলীয় ঐক্য, আটকে দিলো পুলিশ আমরা যেন জুলাইকে হারিয়ে না ফেলি : রাষ্ট্রপতি

দুর্নীতির আখড়া মুন্সীগঞ্জ সদর: পঁঞ্চসার ইউপি কর্মকর্তার আঙুল ফুলে কলাগাছ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ জুলাই, ২০২৬,  4:35 PM

news image

 মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার পঁঞ্চসার ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা রুহুল আমিন সবুজের বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার ও সীমাহীন দুর্নীতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ উঠেছে। সামান্য বেতনের কর্মচারী হয়েও তিনি এখন নাম-বেনামে বিপুল সম্পদের মালিক। বিগত সরকারের আমলে ইউনিয়ন পরিষদের ১ শতাংশ এডিবি প্রকল্পের অর্থ নামসর্বস্ব লাইসেন্স দেখিয়ে লোপাট করার মাধ্যমে তিনি এই সম্পদের পাহাড় গড়েছেন বলে জানা গেছে। ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর আত্মগোপনে থাকলেও বর্তমানে বিশাল অঙ্কের টাকা ছিটিয়ে পুনরায় কর্মস্থলে ফিরে নিজের স্বার্থ হাসিলের চেষ্টা চালাচ্ছেন এই কর্মকর্তা।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, রুহুল আমিন সবুজের বাড়ি জেলার বজ্রযোগিনী ইউনিয়নে হলেও বর্তমানে তিনি পঁঞ্চসার ইউনিয়নের দেওভোগ এলাকায় জমি কিনে বিলাসবহুল দোতলা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। স্থানীয়দের দাবি, তার পরিবার স্থায়ীভাবে ঢাকায় বসবাস করে এবং তিনি নিজেও সেখানে পাজারো গাড়িতে চলাফেরা করেন। অথচ চাকরিতে যোগ দেওয়ার আগে টিউশনি করে তাকে জীবিকা নির্বাহ করতে হতো। মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে তার এই জীবনযাত্রার নাটকীয় পরিবর্তন জনমনে ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। এছাড়া গত মাসে ১৫ জন সচিবের বদলি বাণিজ্যে তার প্রত্যক্ষ হাত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে রুহুল আমিন সবুজ পঁঞ্চসার ইউনিয়নে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছেন। জন্ম নিবন্ধনের সরকারি ফি ৫০ টাকা হলেও তিনি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে আদায় করছেন ২০০ টাকা পর্যন্ত। অফিস সময় সকাল ৯টা থেকে হলেও তিনি দপ্তরে আসেন বেলা ১১টার দিকে। ঢাকা থেকে যাতায়াত করার অজুহাতে নিয়মিত অফিস না করায় ইউনিয়নবাসী চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। এছাড়া ইউএনও অফিস থেকে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রতিটি ইউনিয়ন থেকে ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা করে হাতিয়ে নেওয়ার গুরুতর অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে। রামপাল থেকে পঁঞ্চসার ইউনিয়নে নিজের সুবিধাজনক বদলিও তিনি টাকার বিনিময়ে নিশ্চিত করেছেন বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে। অবিলম্বে এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার অবৈধ সম্পদের তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ইউনিয়নবাসী।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির