ঢাকা ০২ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নজরুল বহাল, মিষ্টির পদত্যাগ: যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল সেপ্টেম্বরে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় ক্যান্টনমেন্টে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া আহত যুবকের মৃত্যু মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন মিষ্টির পদত্যাগপত্র পেয়েছি, আজ থেকেই কার্যকর : স্পিকার ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট সোমবার ৬ মাস নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো সোনা জিততে চাওয়া বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পাবে তো? শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের মূল্যায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান

৩২০ টাকা কেজি কাঁচামরিচের ঝালে নাকাল রাজধানীবাসী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ জুলাই, ২০২৬,  12:37 PM

news image

টানা বৃষ্টিতে সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় রাজধানীর বাজারে অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে কাঁচামরিচের দাম। ব্যবসায়ীদের দাবি, বৃষ্টির কারণে খেত থেকে মরিচ ও অন্যান্য সবজি সংগ্রহে সমস্যা হচ্ছে। পাশাপাশি কাঁচামরিচ পানিতে দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় বাজারে সরবরাহ কমেছে। এর প্রভাব পড়েছে সবজির বাজারেও। ফলে কাঁচামরিচের পাশাপাশি প্রায় সব ধরনের সবজির দাম বেড়ে নাকাল অবস্থায় পড়েছেন রাজধানীবাসী।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর পূর্ব রামপুরার বউ বাজারসহ আশপাশের কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বাজারে নতুন (কচি) কাঁচামরিচ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ টাকা কেজি, আর পুরোনো (বুড়ো) কাঁচামরিচের দাম উঠেছে ৩২০ টাকা কেজিতে। ব্যবসায়ীরা জানান, মাত্র তিন দিন আগেও নতুন কাঁচামরিচের দাম ছিল ২৪০ টাকা কেজি। আর এক সপ্তাহ আগে একই মরিচ বিক্রি হয়েছে ১২০ টাকা কেজিতে। টানা বৃষ্টির কারণে অল্প সময়ের ব্যবধানে মরিচের দাম কয়েক গুণ বেড়েছে বলে তাদের দাবি।

কাঁচামরিচের পাশাপাশি সবজির বাজারেও ঊর্ধ্বমুখী দাম। বর্তমানে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা, ধুন্দল ১০০ টাকা, করলা ১২০ টাকা, ঢ্যাঁড়স ৮০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, শসা ৮০ টাকা, টমেটো ১২০ টাকা, শিম ৩২০ টাকা, কাঁকরোল ১২০ টাকা, ঝিঙা ১০০ টাকা, চিচিঙ্গা ৮০ টাকা এবং পেঁপে ৪০ টাকায়। এ ছাড়া, মিষ্টি কুমড়া প্রতিটি ৬০ টাকা, চালকুমড়া ৭০ টাকা, লাউ ৮০ টাকা এবং কাঁচাকলা প্রতি হালি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবজি বিক্রেতা মোশাররফ বলেন, ‘মরিচের বাগানে পানি উঠলে বা টানা বৃষ্টি হলে ফসল রক্ষা করা প্রায় অসম্ভব। অনেক মরিচ পচে গেছে। যা আছে, তা নিয়েই সংকট তৈরি হয়েছে। এ কারণেই মরিচের দাম এত বেশি। তবে আবহাওয়া স্বাভাবিক হলে কিছুদিন পর আবার দাম কমে আসতে পারে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এক সপ্তাহ আগেও আমরা ১২০ টাকা কেজি দরে মরিচ বিক্রি করেছি। তারও কয়েক দিন আগে বিক্রি করেছি ৮০ টাকা কেজিতে। দুই-তিন দিন আগে দাম হয়েছিল ২৪০ টাকা, আর আজ বিক্রি করতে হচ্ছে ৩২০ টাকা কেজি। টানা বৃষ্টির কারণে শুধু মরিচ নয়, সবজির বাজারেও একই অবস্থা।’

বাজারের ক্রেতা জেবিন তালুকদার বলেন, ‘গত দুই-তিন দিনে মরিচের বাজারের চেহারা বদলে গেছে। কয়েকদিন আগেই মরিচ কিনেছে ২০০ টাকা কেজি হিসেবে। আজ এসে শুনি ৩২০ টাকা দাম। এটা তো ডাকাতি। বিক্রেতারা বৃষ্টির কথা বলছেন, সেটা না হয় মানলাম। তাই বলে ৩২০ টাকা কেজি?

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির