ঢাকা ১১ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাবাকে শেষ বিদায় জানালেন মেসি এমপিওভুক্তদের নতুন শর্তের বেড়াজালে আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এ বড় ধস, কমলো ২২ হাজার ৩৫৬ চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার কর্নেল ওলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সমুদ্রের নীল জলরাশির পাশেই বাঁশখালীবাসীর সমাবেশে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী

সন্ধ্যা ৭টার পর উত্তরপ্রদেশে কর্মক্ষেত্রে নারীদের রাখা যাবে না

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৯ মে, ২০২২,  12:25 PM

news image

রাজি না থাকলে ভারতের উত্তরপ্রদেশে সন্ধ্যা ৭টার পর নারীদের কর্মক্ষেত্রে রাখা যাবে না। চাকরিজীবী নারীদের জন্য নতুন এ পদক্ষেপ নিল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। গতকাল শনিবার (২৮ মে) উত্তরপ্রদেশ সরকারের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, নারীরা লিখিত অনুমতি না দিলে সন্ধ্যা ৭টার পর এবং সকাল ৬টার আগে তাদের কর্মক্ষেত্রে আসতে বাধ্য করা যাবে না।

উত্তরপ্রদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান দপ্তরের যুগ্ম-সচিব সুরেশ চন্দ্র জানান, নারীদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে গিয়ে সন্ধ্যা ৭টা থেকে সকাল ৬টার মধ্যে তাদের দিয়ে কোনো কাজ করানো যাবে না। তা বাড়ি থেকেই হোক কিংবা অফিসে এসেই হোক। আর নারীরা যদি রাতে অফিসে এসে কাজ করতে ইচ্ছুক হন, তাহলে তাদের জন্য যাতায়াত ও খাওয়া-দাওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে নিয়োগকারী সংস্থাকে।

যোগী সরকারের তরফে নারী কল্যাণমূলক প্রকল্পে ৭৫ দশমিক ৫০ কোটি রুপি বরাদ্ধ হয়েছে, এ কথা আগেই জানানো হয়েছিল। এবার রাজ্য প্রশাসন জানাল, তাদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে একেবারে জেলাস্তরে ‘সাইবার সহায়তা’ বিভাগ চালু করার কথাও ভাবা হচ্ছে। এর পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে নারীদের ‘কাজের সময়ও’ মেপে দেয়া হলো।

উত্তরপ্রদেশ সরকারের বক্তব্য, এই নিয়মের অন্যথা হলে তা শ্রম আইন লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচনা করা হবে। এছাড়াও যোগী সরকারের নির্দেশ, কাজের জায়গায় চারজনের বেশি নারী কর্মী থাকলে তবেই তাদের অফিসে ডাকা যাবে।

উত্তরপ্রদেশে কর্মজীবী নারীর সংখ্যা ১৭ শতাংশ। এরপর এবং সবশেষে রয়েছে বিহারে। ওই রাজ্যে চাকরিজীবীদের মধ্যে মাত্র ১৪ শতাংশ নারী।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির