ঢাকা ১৭ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সময় মতো ছাড়ছে ট্রেন, কড়াকড়িতে খুশি যাত্রীরা ঈদ যাত্রায় ভোগান্তির শঙ্কা দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে দিনাজপুরের পথে প্রধানমন্ত্রী নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়ার নজির নেই, মালিকরা খুশিতেই কম নিচ্ছেন নির্ধারিত ভাড়ার বেশি নেওয়ার নজির নেই, মালিকরা খুশিতেই কম নিচ্ছেন ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে রেলস্টেশনে বেড়েছে ভিড় ঈদের ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ ইমাম-পুরোহিতদের হাতে মাসিক সম্মানী তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল চুরি, তদন্তে কুর্মিটোলা ডিপোতে পদ্মার টিম ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: তারেক রহমান

লাগামহীন মাংসের বাজারঃ অসহায় ক্রেতা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩,  12:23 PM

news image

নিত্যপণ্যের দাম দিন দিন বেড়েই চলছে। পাল্লা দিয়ে বাড়ছে সব ধরনের মুরগি , গরু , খাসির মাংসের দাম। পিছিয়ে নেই ফার্মের ডিমও। বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংসের দাম রাখা হচ্ছে ৭০০ - ৭৫০ টাকা। চলতি মাসের শুরুতেও ৫৮০-৬০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হয়েছিল। আর গত কয়েকদিন আগে প্রতি কেজি খাসির মাংস ৯০০-৯৫০ টাকা দরে বিক্রি করা হলেও এখর বিক্রি হচ্ছে ১১০০ থেকে ১১২০ টাকায়।  

অন্যদিকে গত ১৫ দিনের ব্যবধানে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে কেজিতে ৬০ টাকা। মুরগির প্রকার ভেদে দামেরও তারতম্য রয়েছে। গতকাল পর্যন্ত বাজারে বিক্রি হয়েছে – ব্রয়লার ২২৫ টাকা , সোনালি ৩২০ টাকা , খাসি ৩২০ টাকা , কক ৩২০ টাকা , লাল মুরগি ২৮০ টাকায়।

কয়েকদিনের ব্যবধানে গরুর ও খাসির মাংসের দাম অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়ার জন্য যোগানের সংকটের কথা বলছেন মাংস ব্যবসায়ীরা। আর ক্রেতাদের দাবি, বাজার মনিটরিং না থাকায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে দাম বাড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা।

সদরের কাচা বাজার মাংস ব্যবসায়ী বাপ্পি খন্দকার জানান ,প্রতি বছরে এই শীতকালে বিয়ে, সাদি ওরশ ও অন্যান্য সামাজিক অনুষ্ঠান আয়োজনের হিড়িক পড়ে। ফলে গরু, ছাগলের চাহিদা বেড়েছে। যোগান কম। তাই মাংসের দামও বাড়তি। আমাদের বাড়তি দামে গরু কিনতে হয়।

পৌর বাজারে আসা ক্রেতা সাগর মিয়া বলেন, বাজারে খুব কম দোকানেই মূল্য তালিকা চোখে পড়েনি। বাজার মনিটরিং করতেও দেখা যায় না কাউকে। ফলে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এই বাড়তি দাম নিচ্ছেন মাংস ব্যবসায়ীরা। সব মিলে মাংসের বাজার দিন দিন বেড়ে যাওয়ায় এখন সীমিত আয়ের পরিবারের গরুর বা খাসির মাংস কেনার সাধ্য নেই।

তবে মোল্লারচর এলাকার গরু ব্যবসায়ী সুমন মিয়া জানান, গরু কিংবা খাসির কোনো সংকট নেই। দেশীয় গরুর সরবারহ ভালো। ফলে গত ৩ মাসে চাহিদা বাড়লেও বাজারে কোনো সংকট নেই। তাছাড়া গরু-খাসির কোন দামও বাড়েনি। মাংসের দাম বাড়ার জন্য ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটকে দায়ী করেন তিনি।

এ দিকে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস চাল, ডাল, তেল, চিনি, আটা ,ময়দা ,পেয়াজ , আদা , রসুন সহ অন্যান্য জিনিসের দাম আগের মতই রয়েছে। তবে উত্তাপ রয়েছে ডিম ও মাছের বাজারে। সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ১০-২০ টাকা বেড়েছে। নিত্যপণ্যের এমন লাগামহীন বাজারের প্রভাব পড়েছে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের। অনেকটা নুন আনতে পান্থা ফুরানোর মত।

এ বিষয়ে জেলা কৃষি  বিপনন কর্মকর্তা এবিএম মিজানুল হক জানান , আসলে এই মৌসুম টাতে বিভিন্ন ধরনের অনুষ্ঠানাদি থাকার কারনে মাংসের চাহিদাটা বেশি। তাছাড়া আমরা সব সময় বাজার মনিটরিং করে থাকি।বিভিন্ন বিষয়ে ব্যবসায়ীদের আমরা পরামর্শ দিয়ে থাকি।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির