ঢাকা ১৪ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধরের ঘটনায় মামলা, তিন পুলিশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী রাঙালেন কেটি পেরি-লিসা, ছিলেন না ট্রাম্প ‘আনচেলত্তির সব বই পড়ে ফেলেছি’, বন্ধু মার্কিনিয়োসকে খোঁচা হাকিমির টানা চার দফা কমার পর আবার বাড়ল সোনার দাম বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী অনেক দেশই আমাদের মতো একই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাজেটের প্রভাব নেই সবজির বাজারে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে কোভিড পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বিকেলে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন করবেন অর্থমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে বড় সমঝোতা হয়েছে, সপ্তাহের শেষেই চুক্তি হতে পারে

প্রতিটি মানুষ যেন বসবাস করতে পারে, সেজন্য একটা জায়গা করে দেয়া : প্রধানমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ জুলাই, ২০২২,  12:18 PM

news image

পঞ্চগড় ও মাগুরা জেলার সব উপজেলাসহ দেশের ৫২টি উপজেলা ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, প্রতিটি মানুষ যেন বসবাস করতে পারে, সেজন্য একটা জায়গা করে দেয়া। এটা প্রথম করেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। 

বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভূমিহীন ও গৃহহীন ২৬ হাজার ২২৯টি পরিবারকে জমিসহ গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রমের উদ্বোধনের সময় তিনি এ কথা বলেন। 

শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা মাত্র সাড়ে তিন বছর সময় পেয়েছিলেন। তার স্বপ্ন ছিল বাংলার মানুষ খাদ্য, শিক্ষা, চিকিৎসা, বাসস্থান পাবে। 

তিনি বলেন, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর যখন দেশে ফিরি, আমাদের ৩২ নাম্বারের বাড়িতে ঢুকতে দেয়া হয়নি। আমরা ৩২ নাম্বারের রাস্তায় বসে দোয়া পড়েছি, সবার মাগফিরাত কামনা করেছি। 

মুজিববর্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ঘোষণা- একটি মানুষও গৃহহীন ও ভূমিহীন থাকবে না। এ লক্ষ্যে প্রথম পর্যায়ে ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি জমির মালিকানাসহ ৬৩ হাজার ৯৯৯টি ঘর হস্তান্তর করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ২০ জুন জমির মালিকানাসহ ৫৩ হাজার ৩৩০টি ঘর হস্তান্তর করা হয়। প্রথম ও দ্বিতীয় পর্যায়ে নির্মাণ করা একক ঘরের সংখ্যা ১ লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি। চলমান তৃতীয় পর্যায়ে মোট বরাদ্দ করা একক ঘরের সংখ্যা ৬৭ হাজার ৮০০টি, যার মধ্যে গত ২৬ এপ্রিল হস্তান্তর হয় ৩২ হাজার ৯০৪টি। আজ হস্তান্তর করা হয় ২৬ হাজার ২২৯টি। এছাড়া আরো নির্মাণাধীন রয়েছে ৮ হাজার ৬৬৭টি ঘর।

ঘরগুলোকে অধিকতর টেকসই করে গড়ে তোলায় প্রতিটি ঘরের নির্মাণ ব্যয় ১ লাখ ৯১ হাজার টাকা থেকে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকায় উন্নীত করা হয়। ঘরগুলোকে বেশি টেকসই করে নির্মাণ করতে মজবুত কাঠ, পাথরের সর্দল ও রি-ইনফোর্স কংক্রিট কলাম (আরসিসি) পিলার ব্যবহার করা হয়েছে। 

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির