ঢাকা ১০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাবাকে শেষ বিদায় জানালেন মেসি এমপিওভুক্তদের নতুন শর্তের বেড়াজালে আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এ বড় ধস, কমলো ২২ হাজার ৩৫৬ চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার কর্নেল ওলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সমুদ্রের নীল জলরাশির পাশেই বাঁশখালীবাসীর সমাবেশে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী

পাকিস্তানে ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়নি, ভিপিএনের জন্যই ধীরগতি

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৯ আগস্ট, ২০২৪,  12:04 PM

news image

বাংলাদেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে টানা কয়েকদিন বন্ধ ছিল ইন্টারনেট। পরে চালু হলেও গতি ছিল অত্যন্ত ধীর। এর জন্য তখন ভার্চুয়াল প্রাইভেট নেটওয়ার্ক বা ভিপিএনের ব্যবহার বেড়ে যাওয়াকে দায়ী করেছিলেন তৎকালীন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। এবার ঠিক একই ধরনের কথা শোনা যাচ্ছে পাকিস্তানেও।

পাকিস্তানে কয়েকদিন ধরে ইন্টারনেটে চরম ধীরগতি দেখা যাচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়া বন্ধের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও সেগুলো ব্যবহার করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে মানুষজন। এ কারণে ভিপিএন ব্যবহারে ঝুঁকছেন অনেকে। আর এই বিষয়টিকেই ইন্টারনেটে ধীরগতির জন্য দায়ী করেছেন দেশটির তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী শাজা ফাতিমা খাজা।

রোববার (১৮ আগস্ট) ইসলামাবাদে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেছেন, ইন্টারনেট বন্ধ করা হয়নি বা ইচ্ছা করে গতিও কমিয়ে দেওয়া হয়নি। ভিপিএন ব্যবহার বেড়ে যাওয়ার কারণেই ইন্টারনেটের গতি কমে গেছে।ফাতিমা খাজার দাবি, সরকার নির্দিষ্ট কিছু অ্যাপ ব্লক করে দিলে মানুষজন ভিপিএন ব্যবহার করতে শুরু করে। এটি স্থানীয় ইন্টারনেট সার্ভিসগুলোকে বাইপাস করে এবং গতি ধীর করে দেয়। ভিপিএন ব্যবহার করলে মোবাইল ইন্টারনেটের গতিও কমে যায় বলে দাবি করেছেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী আশ্বাস দিয়েছেন, এই সমস্যা সমাধান করতে এবং পাকিস্তানে ইন্টারনেট সেবা উন্নত করতে কাজ করছে সরকার।

জিও নিউজের খবর অনুসারে, পাকিস্তান ইন্টারনেট সম্পর্কিত সমস্যাগুলো একটি ফায়ারওয়াল বাস্তবায়নের সঙ্গে সম্পর্কিত। এটি ট্রাফিক নিরীক্ষণ ও ফিল্টার করার জন্য কোনো দেশের প্রধান ইন্টারনেট গেটওয়েতে ইনস্টল করা হয়।

এই ফায়ারওয়াল ব্যবহার করে সরকার যেকোনো ওয়েবসাইট ও সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোর বিষয়বস্তু (কন্টেন্ট) নিয়ন্ত্রণ বা ব্লক করতে পারে। কর্তৃপক্ষের দাবি, যেকোনো ধরনের আপত্তিকর বিষয়বস্তুর উৎস খুঁজে বের করারও ক্ষমতা রয়েছে এই প্রযুক্তির।

উল্লেখ্য যে, পাকিস্তানের টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (পিটিএ) দেশব্যাপী ভিপিএন ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করতে একটি নতুন নীতি চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানা গেছে।

চলতি বছর পাকিস্তানে ভিপিএনের ব্যবহার বেড়েছে বহুগুণ। মূলত নির্বাচনের আগে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স ব্লক করা হলে দেশটিতে ভিপিএনের ব্যবহার বেড়ে যায়।টপ১০ভিপিএনের তথ্যমতে, এক্স ব্লক করার দুদিন পরে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানে ভিপিএনের চাহিদা একলাফে ১৩১ শতাংশ বাড়তে দেখা গিয়েছিল।

সূত্র: জিও নিউজ

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির