ঢাকা ১০ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
বাবাকে শেষ বিদায় জানালেন মেসি এমপিওভুক্তদের নতুন শর্তের বেড়াজালে আইনগত অধিকার থেকে বঞ্চিত করা যাবে না এসএসসি-সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ, পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী এসএসসি-সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ এ বড় ধস, কমলো ২২ হাজার ৩৫৬ চট্টগ্রাম বোর্ডে ৫ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পাসের হার কর্নেল ওলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী ঘোষণা ১১ দলীয় জোটের সালমান শাহ হত্যা মামলায় খলনায়ক ডন গ্রেপ্তার, নেওয়া হচ্ছে আদালতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির দুই মনোনয়নপত্র সংগ্রহ সমুদ্রের নীল জলরাশির পাশেই বাঁশখালীবাসীর সমাবেশে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী

দেশে সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬ শতাংশ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ জুলাই, ২০২২,  12:52 PM

news image

জনশুমারি ও গৃহ গণনা ২০২২-এর প্রাথমিক প্রতিবেদন অনুযায়ী সারাদেশে সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬ শতাংশ। সাক্ষরতার হারে বর্তমানে নারীদের চেয়ে এগিয়ে আছে পুরুষরা। ২০১১ সালের আদমশুমারির তুলনায় সাক্ষরতার হারে ব্যাপক সাফল্য অর্জন করেছে বাংলাদেশ। ২০১১ সালের আদমশুমারিতে দেশে সাক্ষরতার হার ছিল ৫১.৭৭ শতাংশ।

পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় বিবিএস-এর মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়। 

বিবিএস এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন, নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ জন এবং হিজড়া জনগোষ্ঠীর সংখ্যা ১২ হাজার ৬২৯ জন।

প্রতিবেদনে দেখা গেছে, জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী দেশে সাক্ষরতার হার ৭৪.৬৬ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষের সাক্ষরতার হার ৭৬.৫৬ শতাংশ এবং নারীদের সাক্ষরতার হার ৭২.৮২ শতাংশ। এই হার ২০১১ সালের আদমশুমারিতে ছিল ৫১.৭৭ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষের সাক্ষরতার হার ছিল ৫৪.১১ শতাংশ এবং নারীদের সাক্ষরতার হার ছিল ৪৯.৪৪ শতাংশ। ২০১১ সালের আদমশুমারিতে হিজড়াদের সাক্ষরতার কোনো হিসাব না থাকলেও এবারের জনশুমারিতে হিজড়া জনগোষ্ঠীদের সাক্ষরতার হার ৫৩.৬৫ শতাংশ।

প্রতিবেদনে আরও দেখা গেছে, পল্লী এলাকার চেয়ে শহর এলাকায় সাক্ষরতার হার বেশি। জনশুমারি ও গৃহগণনা অনুযায়ী পল্লী এলাকার মোট সাক্ষরতার হার ৭১.৫৬ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষের সাক্ষরতার হার ৭৩.২৯ শতাংশ, নারীদের সাক্ষরতার হার ৬৯.৯৩ শতাংশ এবং হিজড়া জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার  ৫১.৯৭ শতাংশ। এছাড়া শহর এলাকায় মোট সাক্ষরতার হার ৮১.২৮ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষের সাক্ষরতার হার ৮৩.১৮ শতাংশ, নারীদের ৭৯.৩০ শতাংশ এবং হিজড়া জনগোষ্ঠীর সাক্ষরতার হার ৫৫.২৮ শতাংশ।

২০১১ সালের আদমশুমারিতেও পল্লি এলাকার চেয়ে শহর এলাকায় সাক্ষরতার হার বেশি ছিল। ২০১১ সালের আদমশুমারিতে পল্লি এলাকার মোট সাক্ষরতার হার ছিল ৪৭.১৬ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষের সাক্ষরতার হার ছিল ৪৯.০১ শতাংশ আর নারীদের সাক্ষরতার হার ৪৫.৩৮ শতাংশ। এছাড়া ২০১১ সালে শহর এলাকায় মোট সাক্ষরতার হার ছিল ৬৬.৪০ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষের সাক্ষরতার হার ছিল ৬৯.৩০ শতাংশ, নারীদের সংখ্যা ছিল ৬৩.২২ শতাংশ।

প্রকল্প পরিচালক দিলদার হোসেন বলেন, মোট সাক্ষরতার সর্বোচ্চ হার ঢাকা বিভাগে; ৭৮.০৯ শতাংশ এবং সর্বনিম্ন হার ময়মনসিংহ বিভাগে; ৬৭.০৯ শতাংশ। ২০১১ সালের আদমশুমারিতে সাক্ষরতার হার ছিল ৫১.৭৭ শতাংশ। বিভাগভিত্তিক বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ২০১১ সালে বরিশাল বিভাগে সাক্ষরতার হার ছিল সর্বোচ্চ ৫৬.৭৫ শতাংশ এবং সিলেট বিভাগে সাক্ষরতার হার ছিল  সর্বনিম্ন ৪৫.০১ শতাংশ। 

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির