ঢাকা ০২ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নজরুল বহাল, মিষ্টির পদত্যাগ: যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল সেপ্টেম্বরে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় ক্যান্টনমেন্টে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া আহত যুবকের মৃত্যু মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন মিষ্টির পদত্যাগপত্র পেয়েছি, আজ থেকেই কার্যকর : স্পিকার ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট সোমবার ৬ মাস নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো সোনা জিততে চাওয়া বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পাবে তো? শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের মূল্যায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান

জেডখনিতে ভূমিধস: মিয়ানমারে ২৫ মরদেহ উদ্ধার, নিখোঁজ আরও ১৪

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

১৬ আগস্ট, ২০২৩,  11:58 AM

news image

মিয়ানমারের একটি অনিয়ন্ত্রিত জেডখনিতে ভূমিধসের পর উদ্ধারকারীরা ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন। এই ঘটনায় আরও ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন বলে মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) জরুরি কর্মীরা জানিয়েছেন।

দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার এই দেশটি সাম্প্রতিক দিনগুলোতে প্রবল বৃষ্টি ও বন্যার সম্মুখীন হয়েছে এবং এরই একপর্যায়ে গত রোববার উত্তর কাচিনের হাপাকান্ট শহরের বাইরে প্রত্যন্ত অঞ্চলে ভূমিধসের এই ঘটনাটি ঘটে। মঙ্গলবার এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে বার্তাসংস্থা এএফপি।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মিয়ানমারে জেড মাইনিং বেশ লাভজনক একটি ব্যবসা। কিন্তু অনিয়ন্ত্রিত এই শিল্পটি বেশ ঘন ঘন শ্রমিকের মৃত্যুতে জর্জরিত। ২০২০ সালের ভূমিধসের পর একই এলাকায় ১৭০ জনেরও বেশি মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার একজন উদ্ধারকর্মী এএফপিকে বলেছেন, আমরা আজ মোট ২৫টি মৃতদেহ পেয়েছি। তবে এখনও ১৪ জন নিখোঁজ রয়েছেন এবং নিখোঁজ এসব মানুষকে উদ্ধারের প্রচেষ্টা বুধবারও অব্যাহত থাকবে।

উদ্ধারকারীদের মতে, খনির খননের ফলে প্রায় ১৫০-১৮০ মিটার (৫০০-৬০০ ফুট) উঁচু মাটির একটি বিশাল স্তূপ প্রচণ্ড বৃষ্টির পর আলগা হয়ে যায় এবং ধসে পড়ে। অবশ্য বর্ষাকালে খনির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছিল। তবে ভূমিধসে আটকা পড়া ব্যক্তিরা স্থানীয় বাসিন্দা এবং কাদা থেকে মূল্যবান কিছু পাওয়ার আশায় তারা সেখানে গিয়েছিলেন বলে মনে করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চালীয় প্রদেশগুলো প্রাকৃতিক সম্পদে খুবই সমৃদ্ধ। স্বর্ণ ও মূল্যবান পাথরের বেশ কয়েকটি খনি ও দামি কাঠ রয়েছে এখানকার অরণ্যগুলোতে। কিন্তু এই সম্পদের ওপর সরকারি নিয়ন্ত্রণ কার্যত প্রায় নেই। খনিজ ও বনজ সম্পদ আহরণে প্রায় কোনও সরকারি নির্দেশনা মানা হয় না।

ক্ষমতাসীন জান্তা এবং জান্তাবিরোধী সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর আয়ের বড় একটি উৎস কাচিন ও অন্যান্য উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশগুলোর খনিজ ও বনজ সম্পদ বিক্রি থেকে প্রাপ্ত অর্থ। খনি ও অরণ্যের দখল নিয়ে সরকারি ও জান্তাবিরোধী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে প্রায়ই সংঘাত হয়ে থাকে।

এছাড়া খনি এলাকাগুলোতে বর্ষাকালে কার্যক্রম ও আকরিক উত্তোলনে সরকারি নিষেধাজ্ঞা রয়েছে মিয়ানমারে। কিন্তু অধিকাংশক্ষেত্রে সেই নির্দেশনা মানা হয় না। ফলে প্রতি বছরই বর্ষাকালে খনি দুর্ঘটনায় দেশটিতে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক প্রাণহানির ঘটনা ঘটে থাকে।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির