ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধরের ঘটনায় মামলা, তিন পুলিশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী রাঙালেন কেটি পেরি-লিসা, ছিলেন না ট্রাম্প ‘আনচেলত্তির সব বই পড়ে ফেলেছি’, বন্ধু মার্কিনিয়োসকে খোঁচা হাকিমির টানা চার দফা কমার পর আবার বাড়ল সোনার দাম বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী অনেক দেশই আমাদের মতো একই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাজেটের প্রভাব নেই সবজির বাজারে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে কোভিড পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বিকেলে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন করবেন অর্থমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে বড় সমঝোতা হয়েছে, সপ্তাহের শেষেই চুক্তি হতে পারে

গাজীপুরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ গার্মেন্টস কর্মীর মৃত্যু

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৮ এপ্রিল, ২০২৫,  12:15 PM

news image

গাজীপুরের জয়দেবপুর থানার মোগরখাল এলাকায় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ সীমা আক্তার (৩০) মারা গেছেন। তিনি গার্মেন্টস কর্মী ছিলেন বলে জানা গেছে।

সোমবার (২৮ এপ্রিল) সকাল সোয়া ৯টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের ফিমেল এইচডিতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, গাজীপুরের জয়দেবপুর থেকে দগ্ধ অবস্থায় নারী-শিশুসহ পাঁচজনকে আমাদের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। তাদের মধ্যে সীমা নামে এক নারী আজ সকাল সোয়া ৯টায় এইচডিওতে মারা যান। তার শরীর ৯০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। এছাড়া পারভীনের শরীরের ৩২ শতাংশ, তানজিলার শরীরের ৯০ শতাংশ, তাসলিমার শরীরের ৯৫ শতাংশ এবং শিশু আয়ানের শরীরের ২৮ শতাংশ দগ্ধ নিয়ে এইচডিইউতে চিকিৎসা চলছে। তাদের মধ্যে তাসলিমা ৫ মাসের অন্তঃসত্ত্বা।

মৃত সীমার স্বামী মো. আলহাজ জানান, আমি এবং আমার স্ত্রী সীমা দুজনেই গার্মেন্টস কর্মী। গতকাল সন্ধ্যার দিকে পাশের বাড়িতে রান্নার কাজ চলছিল। এ সময় গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে আমার স্ত্রী ও এক শিশুসহ পাঁচজন শরীরে দগ্ধ হন। প্রথমে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই তাদের জাতীয় বার্ন ইন্সটিটিউটের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়। আজ সকালে আমার স্ত্রী এইচডিইউতে মারা যান।

উল্লেখ্য, রোববার (২৭ এপ্রিল) গাজীপুরের জয়দেবপুরে সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পরে রাত পৌনে ১১টার দিকে দগ্ধ অবস্থায় তাদের জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়। দগ্ধরা হলেন— সীমা আক্তার (৩০), পারভিন আক্তার (৩৫) ও তার শিশু ছেলে আয়ান (১), তাসলিমা বেগম (৩০) ও তার মেয়ে তানজিলা বেগম (১০)।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির