ঢাকা ০১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নজরুল বহাল, মিষ্টির পদত্যাগ: যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল সেপ্টেম্বরে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় ক্যান্টনমেন্টে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া আহত যুবকের মৃত্যু মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন মিষ্টির পদত্যাগপত্র পেয়েছি, আজ থেকেই কার্যকর : স্পিকার ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট সোমবার ৬ মাস নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো সোনা জিততে চাওয়া বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পাবে তো? শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের মূল্যায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান

ঈদের আগে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পাচ্ছে ৩৩ হাজার পরিবার

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৫ এপ্রিল, ২০২২,  12:08 PM

news image

পবিত্র ঈদুল ফিতরের আগে তৃতীয় ধাপে প্রায় ৩৩ হাজার পরিবারকে মাথা গোঁজার ঠাঁই করে দিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আগামীকাল মঙ্গলবার (২৬ এপ্রিল) ভিডিও কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকার ৩২ হাজার ৯০৪টি গৃহহীন-ভূমিহীন দুস্থ পরিবারের কাছে ঈদ উপহার হিসেবে জমির দলিলসহ বাড়ি হস্তান্তর করবেন তিনি। এটাকে এবারের ঈদে প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দেখা হচ্ছে।

গতকাল রোববার (২৪ এপ্রিল) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের শাপলা হলে এক সংবাদ সম্মেলনে এই কথা জানান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব মো. তোফাজ্জল হোসেন মিয়া।

সিনিয়র সচিব জানান, প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় করা হয়েছে দুই লাখ ৬৯ হাজার ৫০০ টাকা। খাস জমির পাশাপাশি সরকার নিজে জমি কিনে এসব ঘর নির্মাণ করে উপহার হিসেবে দেওয়া হচ্ছে।

আরো প্রায় ৪৫ থেকে ৫০ হাজার ঘর নির্মাণ করতে পারলে দেশে কোনো গৃহহীন মানুষ থাকবে না বলে জানান তোফাজ্জল হোসেন মিয়া। তিনি জানান, এই প্রকল্প নির্মাণে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকার পাঁচ হাজার ৫০০ একর জমি দখলমুক্ত করে ভূমিহীনদের জন্য ঠিকানা নির্মাণ করে দেওয়া হয়েছে। এটাকে পৃথিবীর অন্যতম নজির হিসেবে দেখছেন তিনি।

প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপের তুলনায় তৃতীয় ধাপে কাঠামোতে আসছে বেশ পরিবর্তন। বাড়ানো হয়েছে ব্যয়। যে কারণে ঘরগুলো মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী হবে।

আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় ভূমিহীন ও গৃহহীনদের ইতোমধ্যে প্রথম ও দ্বিতীয় ধাপে এক লাখ ১৭ হাজার ৩২৯টি ঘর দেওয়া হয়েছে। দুই শতাংশ জমির মালিকানাসহ সেমিপাকা ঘর করে দেওয়া হয়েছে তাদের। এর সঙ্গে রান্নাঘর ও টয়লেট ছিল। আঙিনায় হাঁস-মুরগি পালন ও শাক-সবজি চাষেরও জায়গা ছিল।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির