ঢাকা ০২ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
নজরুল বহাল, মিষ্টির পদত্যাগ: যা বললেন অ্যাটর্নি জেনারেল সেপ্টেম্বরে এলো ৩৪ হাজার কোটি টাকার প্রবাসী আয় ক্যান্টনমেন্টে চলন্ত ট্রেন থেকে ফেলে দেওয়া আহত যুবকের মৃত্যু মেট্রোরেলের দুই লাইনে ৪৬ হাজার কোটি টাকার ক্রয় প্রস্তাব অনুমোদন মিষ্টির পদত্যাগপত্র পেয়েছি, আজ থেকেই কার্যকর : স্পিকার ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট সোমবার ৬ মাস নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো সোনা জিততে চাওয়া বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পাবে তো? শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের মূল্যায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান

আগুন না থাকলেও এখনো বেরোচ্ছে ধোঁয়া, উৎসুক জনতার ভিড়

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৫ এপ্রিল, ২০২৩,  12:36 PM

news image

বঙ্গবাজারে অগ্নিকাণ্ডের ২৪ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও ধ্বংসস্তূপ থেকে এখনো ধোঁয়া বেরোচ্ছে। ধোঁয়া নিবারণে পানি ছিটিয়ে যাচ্ছেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। অপরদিকে অগ্নিকাণ্ডের দ্বিতীয় দিনেও উৎসুক জনতার ভিড়ে ব্যতিব্যস্ত বঙ্গবাজার এলাকা। আলোচনায় বারবার ঘুরে ফিরে আসছে অগ্নিকাণ্ডের কথা।

বুধবার (৫ এপ্রিল) সরেজমিনে বঙ্গবাজারে দেখা যায়, পুড়ে যাওয়া অবশিষ্ট অংশগুলো থেকে এখনো ধোঁয়া বেরোচ্ছে। আগুন সম্পূর্ণ নিবারণের লক্ষ্যে ফায়ার সার্ভিসের বেশ কয়েকটি ইউনিট কাজ করছে।

এছাড়া ধ্বংসস্তূপ দেখতে বঙ্গবাজার এলাকায় সকাল থেকে ভিড় জমাচ্ছে উৎসুক জনতা। তাদের মধ্যে কেউ কেউ ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পরিচিত জন। তাদের আলোচনায় অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতার কথা উঠে আসছে। 

যদিও আজ (বুধবার) উৎসুক জনতাকে আটকাতে কোনো বাধা রাখেনি পুলিশ। তবে বঙ্গবাজারের উল্টো দিকের ফায়ার সার্ভিস হেড স্টেশনের সামনের রাস্তার দুই পাশে দেওয়া হয়েছে ব্যারিকেড। এছাড়া রয়েছে পুলিশি পাহারা। 

সেখানে কর্তব্যরত এক পুলিশ সদস্য জানান, অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে এখানে জনসাধারণের চলাচল সীমিত করার পাশাপাশি নিরাপত্তা বাড়ানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার সকাল ৬টা ১০ মিনিটে বঙ্গবাজারে আগুন লাগার খবর পায় ফায়ার সার্ভিস। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় তারা। পরে প্রায় সাড়ে ৬ ঘণ্টা পর ফায়ার সার্ভিসের ৫০টি ইউনিটের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

এ আগুনে বঙ্গবাজারসহ আশপাশের ৬টি মার্কেটের ৫ হাজার ব্যবসায়ী ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো. এনামুর রহমান। প্রাথমিকভাবে আগুনের কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যায়নি।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির