ঢাকা ১৫ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে রেলস্টেশনে বেড়েছে ভিড় ঈদের ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ ইমাম-পুরোহিতদের হাতে মাসিক সম্মানী তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল চুরি, তদন্তে কুর্মিটোলা ডিপোতে পদ্মার টিম ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: তারেক রহমান পরিবার যাচ্ছে গ্রামে, ছুটির অপেক্ষায় চাকরিজীবী ট্রেনে প্রথমদিনের ঈদযাত্রায় নারী-শিশুই বেশি স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের স্মরণে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা বউ বরণ নয়, ৯ মরদেহ দাফনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম

১৪৫ টাকা মজুরি প্রত্যাখ্যান, আন্দোলন চালিয়ে নেয়ার ঘোষণা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২১ আগস্ট, ২০২২,  2:18 PM

news image

১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে মজুরি ৩০০ টাকা নির্ধারণের দাবিতে চা শ্রমিকদের ৮ দিনের চলমান কর্মবিরতি প্রত্যাহার করতে গতকাল শনিবার বিকেল ৩টায় শ্রীমঙ্গলে শ্রম দপ্তরের উপ-পরিচালকের কার্যালয়ে সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে চা শ্রমিক ইউনিয়নের সর্বস্তরের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
 
বৈঠকে উপস্থিত শ্রমিক নেতারা সাংবাদিকদের জানান, প্রধানমন্ত্রী যেহেতু শ্রমিকদের জন্য ১৪৫ টাকা মজুরি নির্ধারণ করে দিয়েছেন, তা তারা মেনে নিয়েছেন। এরপর শনিবার থেকে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হবে বলে ঘোষণা দেন চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা। 
 
কিন্তু এর ৩ ঘণ্টা পর রাত ৮টায় তিন শতাধিক সাধারণ শ্রমিক শহরের চৌমুহনা চত্বর  অবরোধ করে রাখেন। রাস্তা অবরোধ করে ‘১৪৫ টাকা মজুরি মানি না’ এমন স্লোগান দেন তারা। দাবি মেনে নিয়েও কেন শ্রমিকরা আবার আন্দোলন করছে? বৈঠকে আপনি সিদ্ধান্ত মেনে ধর্মঘট প্রত্যাহারের ঘোষণা দিলেন, এখন কেন সাধারণ শ্রমিকরা সড়ক অবরোধ করেছে- এমন প্রশ্ন করা হলে চা শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক নৃপেন পাল বলেন, আমি ওই বৈঠকে যা বলেছি তা প্রত্যাহার করে নিলাম। শ্রমিকরা ৩০০ টাকার নিচে মজুরি মানে না। 
 এ ব্যাপারে চা শ্রমিক ইউনিয়নের সাংগঠনিক সম্পাদক বিজয় হাজরা বলেন, তিনি ওই বৈঠক যা বলেছেন তা প্রত্যাহার করেছেন এবং শ্রমিকদের আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। শ্রমিকরা
 সড়ক অবরোধ করলে শহর ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক হাজী কামাল হোসেন শ্রমিকদের অবরোধ তুলে নিতে অনুরোধ করলেও তাতে তারা কর্ণপাত করেননি। তাছাড়া মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান শ্রমিকদের সাথে কথা বলতে চাইলে শ্রমিকরা তাকেও এড়িয়ে যান।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির