ঢাকা ১৫ মার্চ, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ঈদযাত্রার দ্বিতীয় দিনে রেলস্টেশনে বেড়েছে ভিড় ঈদের ছুটির আগেই শ্রমিকদের বেতন-বোনাস পরিশোধের নির্দেশ ইমাম-পুরোহিতদের হাতে মাসিক সম্মানী তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ৭২ হাজার লিটার জেট ফুয়েল চুরি, তদন্তে কুর্মিটোলা ডিপোতে পদ্মার টিম ভোটের কালি মোছার আগেই প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছি: তারেক রহমান পরিবার যাচ্ছে গ্রামে, ছুটির অপেক্ষায় চাকরিজীবী ট্রেনে প্রথমদিনের ঈদযাত্রায় নারী-শিশুই বেশি স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের স্মরণে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের শ্রদ্ধা বউ বরণ নয়, ৯ মরদেহ দাফনের অপেক্ষায় স্বজনেরা ছাত্রদের সৎ, চরিত্রবান ও দেশ প্রেমে উদ্যোগী হতে হবে : নূর হাকিম

হালদা নদীতে ডিম ছেড়েছে মা মাছ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৭ জুন, ২০২২,  11:28 AM

news image

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদা নদীতে মা মাছ ডিম ছাড়া শুরু করেছে। শুক্রবার (১৭ জুন) রাত ২টার পর থেকে হালদা নদীর কয়েকটি স্থানে কার্প জাতীয় মাছে রুই, কাতলা, মৃগেল, কালবাউশ মাছের কিছু ডিম সংগ্রহ করেছেন জেলরা।

হালদা রিসার্চ ল্যাবরেটরির সমন্বয়ক ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল কিবরিয়া  বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

তিনি বলেন, হালদা নদীতে এই বছর তৃতীয়বারের মতো মা মাছ ডিম ছেড়েছে। দুই শতাধিক নৌকা দিয়ে জেলেরা রাত ২টার পর থেকে ডিম সংগ্রহ করছেন।  এখনও ডিম সংগ্রহের কাজ চলছে।

তিনি আরও বলেন, এই বছরে তৃতীয়বারের মতো ডিম ছাড়লেও তা পর্যাপ্ত নয়, অল্প পরিমাণে ডিম ছেড়েছে। রাত ২টা থেকে যারা ডিম সংগ্রহ করছেন তারা মোটামুটি ভালো পরিমাণে ডিম সংগ্রহ করতে পেরেছেন। তবে সে সময় নৌকার সংখ্যা কম ছিল। সকাল থেকে ২ শতাধিক নৌকা নিয়ে জেলেরা ডিম সংগ্রহ করতে নেমেছে, তবে সকালে ডিমের পরিমাণ কম ছিল। 

ডিম সংগ্রহকারী, উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, প্রতি বছর চৈত্র থেকে আষাঢ় মাসের মধ্যে অমাবস্যা ও পূর্ণিমা তিথিতে কার্প জাতীয় মা মাছ হালদা নদীতে ডিম ছাড়ে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের হালদা রিসার্চ অ্যান্ড ল্যাবরেটরির তথ্যানুসারে, হালদায় গতবার মাছের নিষিক্ত ডিম সংগ্রহের পরিমাণ ছিল ৮ হাজার ৫০০ কেজি। রেণু পোনা হয়েছিল ১০৫ কেজি। এর আগে ২০২০ সালে নদীতে ডিম সংগ্রহের পরিমাণ ছিল সাড়ে ২৫ হাজার কেজি, যা এর আগের ১২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ।

এই বছর এর আগের দুইবারে হালদা নদীতে প্রায় ৩ হাজার কেজি ডিম সংগ্রহ করেছিলেন জেলেরা। 

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির