ঢাকা ১৬ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সংকট সামলাতে ইসলামী ব্যাংককে আড়াই হাজার কোটি টাকা দিলো বাংলাদেশ ব্যাংক বিশ্ববাজারে সোনার দাম কমছে কেন অনুমোদন মেলেনি ভারতের, নেপাল থেকে বাংলাদেশে আসছে না বাড়তি বিদ্যুৎ রামিসা হত্যার দায় স্বীকার করে জেল আপিলে যা বলেছেন আসামি সোহেল ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধরের ঘটনায় মামলা, তিন পুলিশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী রাঙালেন কেটি পেরি-লিসা, ছিলেন না ট্রাম্প ‘আনচেলত্তির সব বই পড়ে ফেলেছি’, বন্ধু মার্কিনিয়োসকে খোঁচা হাকিমির টানা চার দফা কমার পর আবার বাড়ল সোনার দাম বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী অনেক দেশই আমাদের মতো একই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

যেভাবে কোটি টাকার পর্যটক আকৃষ্ট করত টাইটান

#

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

২৫ জুন, ২০২৩,  10:55 AM

news image

আড়াই কোটি টাকারও বেশি খরচ করে আটলান্টিক মহাসাগরে টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখতে যাওয়ার জন্য ধনকুবেরদের ‘অভিনব কায়দায়’ আকৃষ্ট করত টাইটান ডুবোজাহাজের নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ওশানগেট। এ কাজে চটকদার বিজ্ঞাপন ব্যবহার করত প্রতিষ্ঠানটি। কী বলা হতো সেসব বিজ্ঞাপনে তা জানা গেছে সিএনএনের প্রতিবেদনে। 

ওশানগেটের বিজ্ঞাপনে বলা হতো, যতটুকু নিরাপত্তা প্রয়োজন, তার চেয়ে বেশি ঝুঁকিমুক্তভাবে তৈরি করা হয়েছে এই ডুবোযান। কিন্তু এর পরও অনেকের আস্থা আসেনি। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসের ধনকুবের ব্যবসায়ী জে ব্লুম ও তাঁর ছেলে শন রয়েছেন। ঝুঁকি বিবেচনায় তাঁরা কয়েকদিন আগে এই যাত্রায় রাজি হননি। তাঁদের ১ লাখ ডলার ছাড় দেওয়ার প্রস্তাবও দিয়েছিল কোম্পানিটি। 

পরে এই দু’জনের পরিবর্তে পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত অপর ধনকুবের বাবা শাহজাদা ও ছেলে সুলেমান যান টাইটানিক দেখতে। শুধু তাই নয়, নিরাপত্তার সাফাই গেয়ে ফরাসি গবেষক ও টাইটানিক বিশেষজ্ঞ পল হেনরি-নারজিওলেট এই বিজ্ঞাপন বানিয়েছিলেন, তাঁরও মৃত্যু হয়েছে গত সপ্তাহের এই যাত্রায়। 

বিনিয়োগকারী ব্লুম ও তাঁর ছেলে শন জানান, ডুবোজাহাজ এবং পরিকল্পিত সমুদ্রযাত্রার আগে সমুদ্রের গভীরে ভ্রমণ করার ক্ষমতা নিয়ে তাঁরা চিন্তিত ছিলেন। অবশেষে বাবাকে বলার পর তিনিও যাননি। আটলান্টিকের ১২ হাজার ৫০০ ফুট গভীরে পড়ে থাকা টাইটানিকের ধ্বংসাবশেষ দেখার সুযোগ দিয়েছিল টাইটান, যা গত সপ্তাহে গভীর সমুদ্রের ব্যাপক চাপে বিপর্যয়কর বিস্ফোরণের শিকার হয়। ফলে মৃত্যু হয় নাবিকসহ অপর চার যাত্রীর।  

এদিকে, টাইটানের নিরাপত্তার বিষয়ে গভীর সমুদ্র অনুসন্ধান বিশেষজ্ঞের সতর্কতা একাধিকবার নাকচ করে দিয়েছিলেন কোম্পানির সিইও স্টকটন রাশ। বিশেষজ্ঞ রব ম্যাককালাম বলেন, স্বাধীন সংস্থার মধ্যমে নিশ্চিত না হওয়ার আগে ডুবোযানটি ব্যবহার না কতে তাঁকে অনুরোধ করেছিলেন। কিন্তু জবাবে রাশ বলেছিলেন, তাঁর কোম্পানির প্রতিদ্বন্দ্বিরা এসব নিরাপত্তা ঝুঁকির যুক্তি ব্যবহারের চেষ্টা করে।  

টাইটান সাবমার্সিবলের বিপর্যয়কর বিস্ফোরণের তদন্তের নেতৃত্ব দেবে ইউএস কোস্টগার্ড। একই সঙ্গে কানাডার কর্মকর্তারা তদন্ত শুরু করেছে।

উল্লেখ্য, মধ্য আটলান্টিক মহাসাগরের সাড়ে ১২ হাজার ফুট গভীরে টাইটানিকের জাহাজের ধ্বংসাবশেষ দেখতে ৮ দিনের ভ্রমণের জন্য আড়াই লাখ ডলার (প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ ৬০ হাজার টাকা) খরচ করতে হতো। 

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির