ঢাকা ১৩ জুন, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ক্রিকেটার নাঈম হাসানকে মারধরের ঘটনায় মামলা, তিন পুলিশ প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বোধনী রাঙালেন কেটি পেরি-লিসা, ছিলেন না ট্রাম্প ‘আনচেলত্তির সব বই পড়ে ফেলেছি’, বন্ধু মার্কিনিয়োসকে খোঁচা হাকিমির টানা চার দফা কমার পর আবার বাড়ল সোনার দাম বাবার স্মৃতিবিজড়িত ‘পাতলী খাল’ পুনঃখনন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী অনেক দেশই আমাদের মতো একই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাজেটের প্রভাব নেই সবজির বাজারে বৈশ্বিক অর্থনীতিকে কোভিড পর্যায়ে নিয়ে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ বিকেলে বাজেট-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলন করবেন অর্থমন্ত্রী ইরানের সঙ্গে বড় সমঝোতা হয়েছে, সপ্তাহের শেষেই চুক্তি হতে পারে

পি কে হালদারের টাকার সন্ধান করছে ইডি

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১৬ মে, ২০২২,  11:49 AM

news image

বাংলাদেশে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে বিপুল অর্থ পাচারকারী পি কে হালদারের ব্যাপারে তদন্তে নেমে ভারতের এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) আগেই জানতে পেরেছিল যে, হুন্ডির মাধ্যমে এ অর্থ ভারতে আনা হয়েছে। এবার নথিপত্র জালিয়াতি করে কিভাবে সেই টাকা পাচারের সক্রিয় হয়ে উঠেছিল চক্রটি, সে বিষয়ে খোঁজ শুরু করেছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

হুন্ডির টাকায়, কোথায়, কত সম্পত্তি কেনা হয়েছে, তারও সন্ধান চলছে। মূল অভিযুক্ত প্রশান্তকুমার হালদারসহ ছয়জনের কাছ থেকে ভারতীয় পাসপোর্ট, আধার এবং ভোটার কার্ড পেয়েছেন তদন্তকারী সংস্থার অফিসাররা।

জানা গেছে, উত্তর ২৪ পরগনার অশোকনগরে প্রভাবশালী কারও মদদে তা বানানো হয়েছিল। তার ফলে এ রাজ্যে আত্মগোপন করে থাকতে সমস্যা হতো না। তারা নিজেদের এখানকার বাসিন্দা বলেই পরিচয় দিতেন।

বাংলাদেশে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকার ব্যাংক জালিয়াতির মামলায় তদন্ত করতে গিয়ে প্রথমে পেশায় মাছ ব্যবসায়ী সুকুমার মৃধাকে আটক করে ইডি। তাকে জেরা করে বাকিদের খোঁজ মেলে। তদন্তকারীরা জানার চেষ্টা চালাচ্ছেন, কোন রুটে হুন্ডির টাকা পশ্চিমবঙ্গে আসত। তা পাচারের পর, কার মদতে সেই টাকা দিয়ে নামে এবং বেনামে সম্পত্তি কেনা হতো। বিপুল অর্থ গেলই বা কোথায়?

এ রাজ্যের অশোকনগর, দমদম এবং কলকাতাসহ নানা জায়গায় অভিযান চালিয়ে মূল অভিযুক্ত প্রশান্ত কুমার হালদার ছাড়াও তার ভাই গণেশ হালদারসহ বাংলাদেশের বাসিন্দা ইমাম হোসেন, স্বপন মৈত্র ও উত্তম মৈত্র এবং আমানা সুলতানা ওরফে শর্মি হালদারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শর্মি জেলে থাকলেও, বাকিদের জেরা করছেন ইডি অফিসারেরা।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির