ঢাকা ০১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
মিষ্টির পদত্যাগপত্র পেয়েছি, আজ থেকেই কার্যকর : স্পিকার ৪৯তম বিসিএসে বাদ পড়া ৪৬ জনের গেজেট সোমবার ৬ মাস নিষেধাজ্ঞার ঝুঁকিতে রোনালদো সোনা জিততে চাওয়া বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পাবে তো? শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের মূল্যায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান সরবরাহ সন্তোষজনক, সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রির নির্দেশ এলওএবির তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ আগামী অর্থবছরে শুরু হবে: ত্রাণমন্ত্রী রামপুরায় পিস্তল-গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি আল-আমিন গ্রেপ্তার ফেনীর ‘মুহুরী-কহুয়া’ সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

ডিজিটাল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার উন্নয়ন দর্শন : পররাষ্ট্রমন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০৮ জানুয়ারি, ২০২৩,  4:03 PM

news image

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান, কারিগরি ও প্রযুক্তিনির্ভর বাংলাদেশের যে ভিত্তি তৈরি করে গেছেন, সে পথ ধরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণ করে দেশকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। এক যুগের বেশি পথচলায় প্রমাণিত হয়েছে, ডিজিটাল বাংলাদেশ শেখ হাসিনার এক উন্নয়ন দর্শন। এখন লক্ষ্য ২০৪১ সালে স্মার্ট বাংলাদেশ।

আজ রবিবার (৮ জানুয়ারি) ওসমানী আর্ন্তজাতিক বিমানবন্দরে ই-গেইট কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে উপস্থিত হতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় তিনি আরো বলেন, বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিক নির্দেশনায় এবং সরকারের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্ব দরবারে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত। এরই ধারাবাহিকতায় দক্ষিণ এশিয়ার প্রথম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ তার নাগরিকদের জন্য ই-পাসপোর্ট ও ই-গেইট প্রবর্তন করেছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরো বলেন, দেশ ও জাতির স্বার্থে বর্তমান বিশ্বে প্রযুক্তির ক্রমবর্ধমান উন্নতির সঙ্গে দেশকেও প্রযুক্তিগত দিক থেকে এগিয়ে নেওয়ার কোনো বিকল্প নেই। এরই ধারাবাহিকতায় বর্তমান সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার দৃঢ় প্রত্যয়ে ২০২০ সালের ২২ জানুয়ারি প্রধামন্ত্রী কর্তৃক সর্বাধুনিক মাইক্রো প্রসেসর চিপযুক্ত ই-পাসপোর্টের উদ্বোধন হয়।

ড. এ কে আব্দুল মোমেন বলেন, ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাপনাকে আরো সেবামুখী ও নিরাপদ করতে এবং ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে ই-পাসপোর্ট ও ই-গেইট গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আমি মনে করি। এইসব সর্বাধুনিক নাগরিকবান্ধব সেবার মাধ্যমে বর্হিবিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি আরো উজ্জ্বল হবে এবং রেমিটেন্স প্রবাহ বৃদ্ধি পাবে। ই-গেইট সেবা গ্রহণ করে বিদেশগামী আমাদের যাত্রীগণ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে এবং কোনো ধরনের বিড়ম্বনা ছাড়া ইমিগ্রেশন সম্পন্ন করতে পারবেন। এতে ইমিগ্রেশন ব্যবস্থাকে আরো নিরাপদ ও সুসংহত করবে।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির