ঢাকা ১৪ আগস্ট, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
দুইশর আগেই অস্ট্রেলিয়াকে অলআউট করল বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে ইউএস-বাংলাদেশ বিজনেস কাউন্সিল রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট গ্যাস সংকটে জামালপুর-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কে চালকদের অবরোধ রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল সিলেটে এক বাসা থেকে ৩ মরদেহ উদ্ধার, ঘটনাস্থলে পুলিশ দিল্লিতে গিয়ে নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন দীনেশ ত্রিবেদী হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন হামলা, জাহাজ অচল কলম্বিয়ায় ভূমিকম্প : মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৫০ জনগণ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হলেই রাষ্ট্র শক্তিশালী হবে : প্রধানমন্ত্রী

ডিজিটাল বাংলাদেশকে ভুয়া বললেন ছাত্র অধিকার পরিষদ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ জানুয়ারি, ২০২৩,  11:17 AM

news image

পাঠ্য পুস্তকে চৌর্যবৃত্তি,সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও ইতিহাস বিকৃত করার প্রতিবাদে ছাত্র অধিকার পরিষদের এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ডিজিটাল বাংলাদেশের গল্পকে ভুয়া বলেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা। তিনি বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের নামে ডিজিটাল ভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশ পাচার করছে, এখন আবার স্মার্ট বাংলাদেশের নামে স্মার্ট ভাবে চুরি করে বই রচনা করছে। এই ডিজিটাল বাংলাদেশের গল্প ভুয়া, স্মার্ট বাংলাদেশের গল্প ভুয়া। 

আজ(২১ জানুয়ারি) বিকাল ৩ টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতা কর্মীরা পাঠ্যপুস্তকে চৌর্যবৃত্তি ও ইতিহাস বিকৃতির সাথে জড়িতদের অতিদ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বলেন, যারা চুরি করে বই রচনা করে তাদের কাছ থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্ম কিছু শিখতে পারবেনা। তরুণ প্রজন্ম তাদের থেকে শুধুই চুরি শিখবে।আমরা, ইতিহাস বিকৃতি ও চুরির সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, আজকে সরকার দলীয় নেতারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলছে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের কথা বলছে। অথচ তাদের হাতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভুল ইতিহাস রচিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর ভুল ইতিহাস রচিত হচ্ছে। ছাত্রলীগ ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলে, স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলে, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের কথা বলে অথচ তাদের কাছ থেকে এখনো পর্যন্ত এই ইতিহাস বিকৃতির জন্য কোন প্রতিবাদ দেখলাম না। 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদিব বলেন, ৬ষষ্ঠ শ্রেণীর বই ও ৭ম শ্রেণীর ইতিহাস ও বিজ্ঞান বইতে ব্রিটিশ উপনিবেশ যোগ কে তারা আধুনিক যোগ বলে উল্লেখ করেছে। অথচ উপনিবেশ কালে আমরা ছিলাম শোষিত।সেই শোষণের সময়কাল কখনো আধুনিক যোগ হতে পারেনা৷ এছাড়া তারা সপ্তম শ্রেণীর বইয়ের প্রচ্ছদে পাখি হিসেবে ব্যবহার করেছে "ময়ূর" আর ফুল হিসেবে ব্যবহার করেছে "পদ্মফুল"। আমরা জানি পদ্মফুল ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিক আর ময়ূর ভারতের জাতীয় পাখি। আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েল,জাতীয় ফুল শাপলার ছবি ব্যবহার না করে তারা ব্যবহার করেছে ভারতের জাতীয় পাখির ছবি। সুতরাং এর থেকে বুঝাই যায় কারা আসল স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির