ঢাকা ০১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সোনা জিততে চাওয়া বাংলাদেশ ব্রোঞ্জ পাবে তো? শিক্ষাক্ষেত্রে অবদান রাখা গুণীজনদের মূল্যায়নের আহ্বান রাষ্ট্রপতির বিএনপি সর্বশক্তি দিয়ে নিশ্চিত করবে আইন সবার জন্য সমান সরবরাহ সন্তোষজনক, সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রির নির্দেশ এলওএবির তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ আগামী অর্থবছরে শুরু হবে: ত্রাণমন্ত্রী রামপুরায় পিস্তল-গুলিসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী পিচ্চি আল-আমিন গ্রেপ্তার ফেনীর ‘মুহুরী-কহুয়া’ সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, দুই বছরে ঝরেছে ৪৬ প্রাণ উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রয়োজন ভালো পরিকল্পনা, কার্যকর নেতৃত্ব ও দৃঢ় সংকল্প সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো পদক্ষেপ নেবে কমিশন-ইসি সচিব

ডিজিটাল বাংলাদেশকে ভুয়া বললেন ছাত্র অধিকার পরিষদ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ জানুয়ারি, ২০২৩,  11:17 AM

news image

পাঠ্য পুস্তকে চৌর্যবৃত্তি,সাম্প্রদায়িক বিদ্বেষ ও ইতিহাস বিকৃত করার প্রতিবাদে ছাত্র অধিকার পরিষদের এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে ডিজিটাল বাংলাদেশের গল্পকে ভুয়া বলেন ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা। তিনি বলেন, সরকার ডিজিটাল বাংলাদেশের নামে ডিজিটাল ভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশ পাচার করছে, এখন আবার স্মার্ট বাংলাদেশের নামে স্মার্ট ভাবে চুরি করে বই রচনা করছে। এই ডিজিটাল বাংলাদেশের গল্প ভুয়া, স্মার্ট বাংলাদেশের গল্প ভুয়া। 

আজ(২১ জানুয়ারি) বিকাল ৩ টায় রাজু ভাস্কর্যের পাদদেশে এই বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করে ছাত্র অধিকার পরিষদ।

বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নেতা কর্মীরা পাঠ্যপুস্তকে চৌর্যবৃত্তি ও ইতিহাস বিকৃতির সাথে জড়িতদের অতিদ্রুত বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়ে বলেন, যারা চুরি করে বই রচনা করে তাদের কাছ থেকে আমাদের তরুণ প্রজন্ম কিছু শিখতে পারবেনা। তরুণ প্রজন্ম তাদের থেকে শুধুই চুরি শিখবে।আমরা, ইতিহাস বিকৃতি ও চুরির সাথে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানাই। 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা বলেন, আজকে সরকার দলীয় নেতারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলছে। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের কথা বলছে। অথচ তাদের হাতেই বাংলাদেশের স্বাধীনতার ভুল ইতিহাস রচিত হচ্ছে। বঙ্গবন্ধুর ভুল ইতিহাস রচিত হচ্ছে। ছাত্রলীগ ডিজিটাল বাংলাদেশের কথা বলে, স্মার্ট বাংলাদেশের কথা বলে, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশের কথা বলে অথচ তাদের কাছ থেকে এখনো পর্যন্ত এই ইতিহাস বিকৃতির জন্য কোন প্রতিবাদ দেখলাম না। 

ছাত্র অধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম আদিব বলেন, ৬ষষ্ঠ শ্রেণীর বই ও ৭ম শ্রেণীর ইতিহাস ও বিজ্ঞান বইতে ব্রিটিশ উপনিবেশ যোগ কে তারা আধুনিক যোগ বলে উল্লেখ করেছে। অথচ উপনিবেশ কালে আমরা ছিলাম শোষিত।সেই শোষণের সময়কাল কখনো আধুনিক যোগ হতে পারেনা৷ এছাড়া তারা সপ্তম শ্রেণীর বইয়ের প্রচ্ছদে পাখি হিসেবে ব্যবহার করেছে "ময়ূর" আর ফুল হিসেবে ব্যবহার করেছে "পদ্মফুল"। আমরা জানি পদ্মফুল ভারতের একটি রাজনৈতিক দলের প্রতিক আর ময়ূর ভারতের জাতীয় পাখি। আমাদের জাতীয় পাখি দোয়েল,জাতীয় ফুল শাপলার ছবি ব্যবহার না করে তারা ব্যবহার করেছে ভারতের জাতীয় পাখির ছবি। সুতরাং এর থেকে বুঝাই যায় কারা আসল স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির