ঢাকা ০১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, দুই বছরে ঝরেছে ৪৬ প্রাণ উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রয়োজন ভালো পরিকল্পনা, কার্যকর নেতৃত্ব ও দৃঢ় সংকল্প সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো পদক্ষেপ নেবে কমিশন-ইসি সচিব রেলওয়ের এডিপি বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ফুটপাত দখলের চেষ্টা চললে আরও অভিযান হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক কেরানীগঞ্জ কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা এমপি পদ থেকে মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে ভাঙচুর-আগুন: চার মামলায় আসামি ২ হাজার বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ আর বরদাশত করা হবে না : বিপ্লবী পরিষদ

চিকিৎসা নেয়া ৮২ শতাংশই ওমিক্রনে আক্রান্ত : বিএসএমএমইউ

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২২,  1:59 PM

news image

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত এক মাসে (৯ জানুয়ারি থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএসএমএমইউ) চিকিৎসা নেয়া ৮২ শতাংশই ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। বাকি ১৮ শতাংশ রোগী ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত। বিএসএমএমইউয়ের গবেষণায় এ তথ্য উঠে এসেছে।

এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি এক অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছিল, হাসপাতালে যারা গেছেন তাদের ২০ শতাংশ ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট এবং ৮০ শতাংশ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত।  

আজ বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বিএসএমএমইউয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়টির জেনোম সিকোয়েন্সিং রিসার্চ প্রজেক্টের প্রধান পৃষ্ঠপোষক (সুপারভাইজার) উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ এই তথ্য জানান। 

তিনি জানান, গত ৯ জানুয়ারি থেকে এ মাসের ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সর্বমোট ভর্তি রোগী এবং বহির্বিভাগে আসা রোগীদের ৮২ শতাংশ ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত এবং ১৮ শতাংশ ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট আক্রান্ত পেয়েছি। এই সময়ে ওমিক্রনের তিনটি সাব-ভ্যারিয়েন্ট পরিলক্ষিত হয়েছে। সেগুলো হলো BA.1, BA.1.1, BA.2। এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ভাষ্যমতে BA.2 বেশি সংক্রামক। 

বিএসএমএমইউ উপাচার্য আরো জানান, ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে অনেক বেশি সংক্রামক। ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের জেনোমে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে বেশি মিউটেশন পাওয়া গেছে, যার বেশির ভাগ ভাইরাসটির স্পাইক প্রোটিনে হয়েছে। এই স্পাইক প্রোটিনের ওপর ভিত্তি করে বেশির ভাগ ভ্যাকসিন তৈরি করা হয়ে থাকে। আর স্পাইক প্রোটিনের গঠনগত বদলের জন্যই প্রচলিত ভ্যাকসিনেশনের পরেও ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যায়। 

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির