ঢাকা ১৫ মে, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
সুপ্রিম কোর্ট বারে ১৪ পদের ১৩টিতে বিএনপির বিজয় কমলো সোনার দাম জ্বালানি নিরাপত্তায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সমঝোতা সই ব্রয়লারের কেজি ২০০, ডিমের ডজন ১৫০ যুক্তরাষ্ট্র থেকে তেল ও সয়াবিন কিনতে চায় চীন : ডোনাল্ড ট্রাম্প এপ্রিলে ৫২৭ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৫১০, আহত ১২৬৮ : যাত্রী কল্যাণ সমিতি সুপ্রিম কোর্ট বার নির্বাচনে ভোটগ্রহণ শুরু ইরানে গোপনে হামলা চালিয়েছে সৌদি আরব ‘টিকা নিয়ে দোষীদের খোঁজার আগে আমার মায়েদের বুক ভরা রাখতে হবে’ ২৭তম বিসিএসের বঞ্চিত আরও ৯৬ জনকে নিয়োগ

আরো ৫ লাখ টন চাল-গম বরাদ্দ চাইল খাদ্য মন্ত্রণালয়ের

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২২ মার্চ, ২০২২,  11:28 AM

news image

দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে খোলাবাজারে খাদ্যপণ্য বিক্রি বা ওএমএসের কার্যক্রম বাড়ানো হয়েছে। ফলে চলতি অর্থবছরে (২০২১-২২) অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাছে আরো পাঁচ লাখ টন চাল-গম বরাদ্দ চেয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়। এরমধ্যে ৩ লাখ টন চাল ও ২ লাখ টন আটা চাওয়া হয়। গত রোববার এ বরাদ্দের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছে খাদ্য মন্ত্রণালয়।

এতে বলা হয়, ২০২১-২২ অর্থবছরে ওএমএস খাতে চালের বরাদ্দ রয়েছে ৪ লাখ ৭০ হাজার টন আর গমের বরাদ্দ ৪ লাখ ৬৪ হাজার টন। ওএমএস কর্মসূচিতে গত ১৫ মার্চ পর্যন্ত ৩ লাখ ৭০ হাজার টন চাল এবং ৩ লাখ ২৫ হাজার টন গম বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে ১ লাখ টন চাল এবং ১ লাখ ৩৯ হাজার টন গমের মজুদ রয়েছে।

চিঠিতে আরো বলা হয়, আসন্ন রমজান মাসে চালের দামের ঊর্ধ্বগতির সম্ভাবনা বিবেচনায় নিম্নআয়ের মানুষকে সহায়তা দেয়াসহ খাদ্যশস্যের দাম সহনীয় রাখতে ১৭ মার্চ থেকে দেশের সব সিটি করপোরেশনে ৬৫টি নতুন ট্রাকসেল চালু করা হয়। সেই পরিপ্রেক্ষিতে অনুমোদিত ওএমএস কেন্দ্রের (দোকান/ট্রাকসেল) মোট সংখ্যা দাঁড়ায় ২ হাজার ১৩টি। এক্ষেত্রে ওএমএস কার্যক্রম চলমান রাখতে দৈনিক ২ হাজার ৬৩০ টন চাল এবং ২ হাজার ৮৯০ টন গম প্রয়োজন বলে জানায় খাদ্য মন্ত্রণালয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, চলতি অর্থবছরে সরকারি ছুটি ছাড়া মার্চ, এপ্রিল, মে ও জুন মাসে মোট ৮৬ দিনে ওএমএস কার্যক্রমে প্রয়োজন হবে ২ লাখ ২৬ হাজার টন চাল এবং ২ লাখ ৪৮ হাজার টন গম। এই পরিমাণ চাল-গম বিক্রিসহ বর্তমান মজুদের সঙ্গে আরো অতিরিক্ত ১ লাখ ২৬ হাজার টন চাল এবং ১ লাখ ৯ হাজার টন গম মজুদ রাখতে হবে।

এ অবস্থায় জরুরি প্রয়োজন এবং ওএমএস কেন্দ্র বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে উল্লিখিত পরিমাণ চাল-গম বরাদ্দ দেয়ার জন্য চিঠি দেয় খাদ্য মন্ত্রণালয়।

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির