ঢাকা ০১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
ফেনীর ‘মুহুরী-কহুয়া’ সেচ প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী লালমনিরহাট-বুড়িমারী মহাসড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, দুই বছরে ঝরেছে ৪৬ প্রাণ উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রয়োজন ভালো পরিকল্পনা, কার্যকর নেতৃত্ব ও দৃঢ় সংকল্প সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো পদক্ষেপ নেবে কমিশন-ইসি সচিব রেলওয়ের এডিপি বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ফুটপাত দখলের চেষ্টা চললে আরও অভিযান হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক কেরানীগঞ্জ কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা এমপি পদ থেকে মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে ভাঙচুর-আগুন: চার মামলায় আসামি ২ হাজার

আমাদের কষ্ট শেষ হবে এই মাসটাই : পরিকল্পনামন্ত্রী

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

২০ আগস্ট, ২০২২,  5:41 PM

news image

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী আপনাদের ধৈর্যের আহ্বান জানিয়েছেন। এই কয়েকটা দিন একটু ধৈর্য ধরুন। বিদ্যুতের সমস্যা আছে, দ্রব্যমূল্যের সমস্যা আছে। তবে আমরা যারা কাজ করি, আমরা কিছু আলোর রেখা দেখছি পূর্ব দিগন্তে। আমার মনে হয় আমরা সুড়ঙ্গের শেষ প্রান্তে এসেছি। এগুলো অহেতুক কোনো কথা নয়। আমরা নানা বিষয়ে আশা দেখছি। আমার বিশ্বাস এই মাসটাই আমাদের কষ্টের শেষ মাস। আগামী মাস থেকে আবার স্বাভাবিক জায়গায় ফিরে যাব। 

শনিবার (২০ আগস্ট) দুপুরে সুনামগঞ্জ জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছন রাজা মিলনায়তনে জেলা পরিষদ কর্তৃক ২০২১ সালের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও বৃত্তি প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। 

পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, যারা মাখন, ক্রিম খেয়ে অভ্যস্ত, কেকের উপরের অংশ কেটে কেটে খায়, তারা বাধা দিচ্ছে। তারা তাদের পিতাকে হত্যা করেছিল। কৃষক-শ্রমিকের মঙ্গল ও কল্যাণ চেয়েছিলেন সেই অপবাদে। শেখ হাসিনাকেও তারা হত্যা করতে চায়। মঞ্চ থেকে সরিয়ে ফেলতে চায়। কারণ শেখ হাসিনা প্রত্যেক বাঙালির, প্রত্যেক জাতির, যে কোনো ধর্মের মানুষের ন্যায়ের জন্য কাজ করেন। 

চা-শ্রমিকদের চলমান আন্দোলনের বিষয়ে এম এ মান্নান বলেন, আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই যারা শ্রমিক, যারা কায়িক শ্রম দেন, হাত-পা দিয়ে কাজ করেন, তাদের প্রতি ন্যায়বিচার যেন হয়। দরিদ্র অবিচারের শিকার। এখানে কিছু সংস্কারের প্রয়োজন আছে। সরকার এ ব্যাপারে সচেতন আছে। চা-বাগানের যারা মালিক তারা কিছু সুযোগ-সুবিধা দেন। তবে টাকায় নয়, তারা থাকার জায়গা দেন, রেশন দেন, চিকিৎসা দেন। কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিদ্যুৎও দেন। আমরা চাই মজুরি, আশা করি ন্যায়বিচারের দিকেই যাচ্ছি। সেখানে পৌঁছায়নি এখনো। তবে পথেই আছি। 

জেলা পরিষদের প্রশাসক নুরুল হুদা মুকুটের সভাপতিত্বে ও দেওয়ান গিয়াস চৌধুরীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল ওয়াহাব রাশেদ, শিক্ষাবিদ পরিমল কান্তি দে, যোগেশ্বর দাশ প্রমুখ। 

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির