ঢাকা ০১ অক্টোবর, ২০২৬
সংবাদ শিরোনাম
উৎপাদনশীলতা বাড়াতে প্রয়োজন ভালো পরিকল্পনা, কার্যকর নেতৃত্ব ও দৃঢ় সংকল্প সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে প্রয়োজন অনুযায়ী যে কোনো পদক্ষেপ নেবে কমিশন-ইসি সচিব রেলওয়ের এডিপি বাস্তবায়নে গতি বাড়ানোর নির্দেশ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলমের ফুটপাত দখলের চেষ্টা চললে আরও অভিযান হবে: ডিএনসিসি প্রশাসক কেরানীগঞ্জ কারাগারে অসুস্থ হাজতির ঢামেকে মৃত্যু সচিবালয়ে দর্শনার্থী প্রবেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নতুন নির্দেশনা এমপি পদ থেকে মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর মিরপুরে উচ্ছেদ অভিযানে ভাঙচুর-আগুন: চার মামলায় আসামি ২ হাজার বাংলাদেশে ভারতীয় আধিপত্যবাদ আর বরদাশত করা হবে না : বিপ্লবী পরিষদ বিসিএসে ইতিহাসে প্রথম হয়েও গেজেটে নেই কৃষকের ছেলে সোহেলের নাম

আদালতে এসে ন্যায়বিচার চাইলেন রামিসার বাবা

#

নিজস্ব প্রতিবেদক

০২ জুন, ২০২৬,  11:43 AM

news image

রাজধানীর মিরপুরের পল্লবীতে আট বছরের শিশু রামিসা ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যার ঘটনায় হওয়া মামলায় প্রধান আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্নার সর্বোচ্চ শাস্তি ও ন্যায়বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগীের বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।

মঙ্গলবার (২ জুন) সকাল ৯টার দিকে ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীনের আদালতে এ মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ শুরুর আগে তিনি এ দাবি জানান।

এদিন আদালতে মামলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সাক্ষীরা সাক্ষ্য দেবেন। এদের মধ্যে রয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক, আলামত সংগ্রহকারী কর্মকর্তা এবং স্থানীয় প্রতিবেশীরা।

এদিকে সকাল পৌনে নয়টায় মামলার প্রধান আসামি সোহেল রানাকে ঢাকার কেন্দ্রীয় কারাগার কেরানীগঞ্জ থেকে এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কাশিমপুর কারাগার থেকে আদালতে আনা হয়েছে। এসময় তাদেরকে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়েছে। 

এর আগে গতকাল সোমবার আদালত সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। একই দিন বিকেলে মামলার বাদীসহ ১৭ জন সাক্ষীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য সমন জারি করা হয়।

গত ২৪ মে ট্রাইব্যুনাল দুই আসামির বিরুদ্ধে দাখিল করা অভিযোগপত্র আমলে নেয়। এর আগে একই দিনে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পল্লবী থানার উপ-পরিদর্শক অহিদুজ্জামান অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে মামলাটি বিচারের জন্য ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে মোট ১৭ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

মামলার সূত্রে জানা যায়, রামিসা পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিল। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে স্বপ্না তাকে কৌশলে রুমের ভেতরে নেয়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন তার মা। একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে শিশুটির জুতা দেখতে পান তিনি। ডাকাডাকির পর কোনও সাড়াশব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা এবং অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসার মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর মাধ্যমে কল পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে স্বপ্নাকে হেফাজতে নেয়। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানার সামনে থেকে সোহেল রানাকে গ্রেপ্তারে সক্ষম হয় পুলিশ। 

এ ঘটনায় ২০ মে ভুক্তভোগীর বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা দায়ের করেন

logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মো: মনিরুজ্জামান মনির